মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

লক্ষ ও উদ্দেশ্য

ভূমিকাঃ 
৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের অসহায়, হতদরিদ্র, চিকিৎসাবঞ্চিত, প্রাকৃতিক দূর্যোগে বিপর্যস্ত ব্যক্তি ও পরিবার এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাহায্যার্থে একটি সামাজিক প্লাটফর্ম গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব আহমদ জুবায়ের লিটন স্ব-প্রণোদিত হয়ে আর্তমানবতার কল্যাণে একটি ট্রাস্ট গঠনের প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটি ব্যাপক ভাবে জনসমর্থন আদায়ে সচেষ্ট হয়। ফলে ৪নং উত্তর শাহবাজপুর  ইউনিয়নের সচেতন নাগরিক সমাজ, দেশে এবং বিদেশে অবস্থানরত গণ্যমান্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মতামতের ভিত্তিতে “চেয়ারম্যান কল্যাণ ট্রাস্ট উত্তর শাহবাজপুর” নামের সম্পুর্ণ অরাজনৈতিক এই সামাজিক প্রতিষ্ঠানটি আত্মপ্রকাশ করে। 
 
ট্রাস্টের কার্যক্রম নি¤œরূপঃ 
 অসহায় দরিদ্রদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা
 চিকিৎসা বঞ্চিতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা
 জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো
 দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান
 প্রাকৃতিক দূর্যোগে বিপর্যস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিগ্রস্থ অবকাঠামো সংস্কার 
 
ট্রাস্টের নিয়মাবলীঃ 
০১। পদাধিকার বলে ৪নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হবেন এই ট্রাস্টের সভাপতি। যদি নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান ট্রাস্টের সভাপতি পদ গ্রহণে অনিহা প্রকাশ করেন কিংবা ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সদস্যগণ তাঁর ব্যাপারে অনাস্থা দেখান তাহলে সাধারণ সভার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্য হতে একজনকে সভাপতি মনোনিত করা হবে। জনসাধারণ ট্রাস্ট থেকে যে কোন প্রকার সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে কিংবা কোন দাবী জানাতে ট্রাস্টের সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদন করতে হবে। 
 
০২। এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হবে। উপদেষ্টাগণ ট্রাস্ট পরিচালনায় বুদ্ধিবৃত্তিক সহযোগীতার পাশাপাশি চাইলে আর্থিক সহায়তাও করতে পারবেন। 
 
০৩। ট্রাস্টের সদস্যগণ ট্রাস্টি বলে গন্য হবেন। প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি, সাধারণ ট্রাস্টি (এক বছর মেয়াদী) এবং আজীবন ট্রাস্টি এই তিন ধরনের সদস্যপদ গ্রহণ করা হবে।  
 
০৪। দেশে কিংবা বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক নির্দিষ্ট পরিমাণ অনুদান প্রদান করে ট্রাস্টি হতে পারবেন। এক বছর মেয়াদী সাধারণ ট্রাস্টি হতে আগ্রহী ব্যক্তির জন্য বার্ষিক অনুদান ১০০০/- টাকা ও আজীবন ট্রাস্টিদের ক্ষেত্রে এককালীন অনুদান ৫০০০/- টাকা ধার্য্য করা হয়েছে। 
 
০৫। ট্রাস্টের সভাপতির সিদ্ধান্তে অথবা উপস্থিত সদস্যবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে ১১ সদস্যবিশিষ্ট দুই বছর মেয়াদী একটি ট্রাস্টি বোর্ড বা কার্যকরী কমিটি গঠিত হবে। ট্রাস্টের সভাপতি পদাধিকার বলে ঐ বোর্ডের সভাপতি এবং অন্যান্যরা বোর্ড সদস্য বলে বিবেচিত হবেন। 
 
০৬। সভাপতি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের সাথে মতামতের ভিত্তিতে কার্যকরী সিদ্ধান্ত নিবেন। বোর্ড সভায় উপস্থিত সদস্যদের এক তৃতীয়াংশের মতামতের ভিত্তিতে উত্থাপিত যে কোন প্রস্তাব পাশ বলে গন্য হবে। 
 
০৭। যে কোন সভায় দেশে অবস্থানরত আজীবন সদস্যদের মধ্য হতে এক তৃতীয়াংশ উপস্থিত হলে কোরাম পূর্ণ হবে। 
 
০৮। ট্রাস্টিদের অনুদান এবং দেশী-বিদেশী দাতা ও সংস্থা থেকে প্রাপ্ত টাকায় ট্রাস্টের অর্থ তহবিল গঠিত হবে এবং ট্রাস্টের নামে একটি যৌথ ব্যাংক একাউন্টে সমূদয় টাকা জমা থাকবে। 
 
০৯। তহবিলের যাবতীয় অর্থ শুধুমাত্র ৪নং উত্তর শাহ্বাজপুর ইউনিয়নের ভিতরে আর্ত-মানবতার কল্যাণে ব্যবহৃত হবে। 
 
১০। ট্রাস্টের যাবতীয় কার্যক্রমে ব্যবহৃত আর্থিক লেনদেন ব্যাংক চেকের মাধ্যমে সম্পাদিত হবে এবং সব রকমের আয়-ব্যয়ের হিসেব ভাউচার লেজার ভূক্ত থাকবে।  
 
১১। প্রতিবছর অডিট কমিটি অর্থ তহবিলের আয়-ব্যয় সংক্রান্ত হিসেব নিরীক্ষণ করে রিপোর্ট প্রকাশ করবেন। একজন বিশিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তা, একজন শিক্ষক প্রতিনিধি ও একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি- এর সমন্বয়ে তিন সদস্যের অডিট কমিটি গঠিত হবে। 
 
১২। প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে বার্ষিক রিপোর্ট ও পরবর্তী বছরের পরিকল্পনা পেশ করা হবে।  
 
১৩। ট্রাস্টের কোন সদস্য যদি রাষ্ট্র বিরোধী, মানবতা বিরোধী অথবা কোন প্রকার গুরুতর অপরাধে জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তার সদস্যপদ বাতিল করা হবে। 
 
১৪। আজীবন সদস্যদের যে কোন প্রস্তাব, সংশোধন, সংযোজন যুক্তি উপস্থাপন পূর্বক লিখিত ভাবে সভাপতি বরাবরে জমা দিতে হবে। ট্রাস্টের কোন সদস্য ব্যক্তিগত সুযোগ সুবিধা লাভের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডকে কোন প্রকার সুপারিশ করতে পারবেন না। 
 
১৫। প্রবাসী আজীবন দাতা সদস্য, দাতাসংস্থার প্রতিনিধি, গুণীজন ও ট্রাস্টের শুভাকাঙ্খীদের সাথে ট্রাস্টি বোর্ড প্রয়োজনবোধে মতবিনিময়/সংবর্ধনা প্রদান করবে। আজীবন সদস্যদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে যথাযথ মর্যাদার সহিত শোকসভা বা স্বরণসভার আয়োজন করা হবে। 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter